ঢাকা, ডিসেম্বর ২০
(বি ডি নিউজ )
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে শতক হাঁকানোর পাশাপাশি পাঁচ উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সেই সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৪৭০ রানে অলআউট পাকিস্তান। দেশের মাটিতে কোনো ইনিংসে এই প্রথম পাকিস্তানকে অলআউট করলো বাংলাদেশ।
বিশ্বের ২১তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে শতকের পাশাপাশি পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন সাকিব। ১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার জিমি সিনক্লেয়ার প্রথম এ কৃতিত্ব দেখান।
দুবার করে এ কৃতিত্ব দেখান স্যার গ্যারি সোবার্স, মুশতাক মোহাম্মদ ও জ্যাক ক্যালিস। তবে সবচেয়ে বেশি পাঁচবার এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ইংল্যান্ডের স্যার ইয়ান বোথাম।
এর আগে দুবার এই কৃতিত্বে খুব কাছ থেকে ঘুরে আসেন সাকিব। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট তুলে নেয়ার পর ব্যাট হাতে করেন ৯৬ রান।
পরের বছর ১৭ জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বল হাতে আবারো দখল করেন ৫ উইকেট। তবে সেবারও ৪ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তার। অপরাজিত থাকেন ৯৬ রানে। দলকে ৪ উইকেটে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ায় আক্ষেপটা হয়তো একটু কম ছিল তার।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সাকিবের বলে ফিল্ডাররা বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করার পরও পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি। তৃতীয় দিন আজহার আলীকে ফিরিয়ে দিয়ে নেন নিজের প্রথম উইকেট। এরপর চতুর্থ দিনে একে একে ফিরিয়ে দেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক, আব্দুর রেহমান, উমর গুল, সাঈদ আজমল ও আদনান আকমলকে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে খেলেন ১৪৪ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস। এটি তার দ্বিতীয় টেস্ট শতক।
টেস্টে এ নিয়ে ৯ বার ইনিংসে পাঁচটি বা তার বেশি উইকেট নিলেন সাকিব। দেশের পক্ষে টেস্টে সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ডওটি তার দখলে।
(বি ডি নিউজ )
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে শতক হাঁকানোর পাশাপাশি পাঁচ উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সেই সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৪৭০ রানে অলআউট পাকিস্তান। দেশের মাটিতে কোনো ইনিংসে এই প্রথম পাকিস্তানকে অলআউট করলো বাংলাদেশ।
বিশ্বের ২১তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে শতকের পাশাপাশি পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন সাকিব। ১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার জিমি সিনক্লেয়ার প্রথম এ কৃতিত্ব দেখান।
দুবার করে এ কৃতিত্ব দেখান স্যার গ্যারি সোবার্স, মুশতাক মোহাম্মদ ও জ্যাক ক্যালিস। তবে সবচেয়ে বেশি পাঁচবার এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন ইংল্যান্ডের স্যার ইয়ান বোথাম।
এর আগে দুবার এই কৃতিত্বে খুব কাছ থেকে ঘুরে আসেন সাকিব। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট তুলে নেয়ার পর ব্যাট হাতে করেন ৯৬ রান।
পরের বছর ১৭ জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বল হাতে আবারো দখল করেন ৫ উইকেট। তবে সেবারও ৪ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তার। অপরাজিত থাকেন ৯৬ রানে। দলকে ৪ উইকেটে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ায় আক্ষেপটা হয়তো একটু কম ছিল তার।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সাকিবের বলে ফিল্ডাররা বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করার পরও পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি। তৃতীয় দিন আজহার আলীকে ফিরিয়ে দিয়ে নেন নিজের প্রথম উইকেট। এরপর চতুর্থ দিনে একে একে ফিরিয়ে দেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক, আব্দুর রেহমান, উমর গুল, সাঈদ আজমল ও আদনান আকমলকে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে খেলেন ১৪৪ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস। এটি তার দ্বিতীয় টেস্ট শতক।
টেস্টে এ নিয়ে ৯ বার ইনিংসে পাঁচটি বা তার বেশি উইকেট নিলেন সাকিব। দেশের পক্ষে টেস্টে সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ডওটি তার দখলে।
No comments:
Post a Comment