This post is created by
Farhana Tuli
শীতে কাঁপছে সারা দেশ । আর সে কাপুঁনিতে প্রতিদিন মরছে এবং কষ্ট পাচ্ছে কত মানুষ তার সঠিক হিসাব আমার অজানা । “ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” , অভাব শুধু একটুখানি সহানুভূতির । মানব সন্তান প্রসবের চেয়ে “সহানুভূতি” র প্রসব অনেক বেশী প্রয়োজন, না হলে সেই মানুষ পরিচয়ের প্রধান প্রতীক মনুষ্যত্বের বিলীন হয়ে যাবে । “সহানুভূতি” শব্দে মাত্র পাঁচটি শব্দ ব্যবহৃত হলেও এটি প্রকাশের প্রতি আমার বা আমার মতো যারা আছেন তাদের কি পরিমান অভক্তি সেটা মোটামুটি চোঁখের রঙিন গ্লাস খুলে সমাজের চারপাশে তাকালেই আমার বুঝতে পারি । অবশ্য যাদের বোঝার মতো অনুভুতি আছে, তারাই কেবল বুঝবে । এই অনুভূতিশক্তির প্রবল অভাবে আমিও ভুগছি ।
স্ট্যাটাসে আজকাল কিছু লিখতে বড় আতঙ্ক বোধ করি । কারন কিছু সন্মানিত বন্ধু আছেন, যারা আমাকে এবং আমার স্ট্যাটাসের কথা একদমই পছন্দ করেন না (পারলে আমাকে শাস্তি স্বরুপ বেত্রাঘাত কিংবা একশ ঘা দোররা মারতেন ) । যুদ্ধাপরাধী “bustard গোলাম আজমের” জুতা মারার ছবি শেয়ার করার কারনে আমার সেইসব সন্মানিত বন্ধুরা যথেষ্ঠ পরিমান দুর্গন্ধযুক্ত Text পাঠিয়ে আমাকে ও আমার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করেছেন । বলা ভালো- তাদের মন্তব্যে আমার কিছুই যায় আসে না। এসব ব্যাপারে লজ্জাবোধ আমার বরাবরই কম । so welcome to everybody- যে যার ইচ্ছামতো আমাকে গালি দিতে পারেন । একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে
ইচ্ছা করছে- যুদ্ধাপরাধী এবং যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক, এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য কি ?
Farhana Tuli
শীতে কাঁপছে সারা দেশ । আর সে কাপুঁনিতে প্রতিদিন মরছে এবং কষ্ট পাচ্ছে কত মানুষ তার সঠিক হিসাব আমার অজানা । “ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” , অভাব শুধু একটুখানি সহানুভূতির । মানব সন্তান প্রসবের চেয়ে “সহানুভূতি” র প্রসব অনেক বেশী প্রয়োজন, না হলে সেই মানুষ পরিচয়ের প্রধান প্রতীক মনুষ্যত্বের বিলীন হয়ে যাবে । “সহানুভূতি” শব্দে মাত্র পাঁচটি শব্দ ব্যবহৃত হলেও এটি প্রকাশের প্রতি আমার বা আমার মতো যারা আছেন তাদের কি পরিমান অভক্তি সেটা মোটামুটি চোঁখের রঙিন গ্লাস খুলে সমাজের চারপাশে তাকালেই আমার বুঝতে পারি । অবশ্য যাদের বোঝার মতো অনুভুতি আছে, তারাই কেবল বুঝবে । এই অনুভূতিশক্তির প্রবল অভাবে আমিও ভুগছি ।
স্ট্যাটাসে আজকাল কিছু লিখতে বড় আতঙ্ক বোধ করি । কারন কিছু সন্মানিত বন্ধু আছেন, যারা আমাকে এবং আমার স্ট্যাটাসের কথা একদমই পছন্দ করেন না (পারলে আমাকে শাস্তি স্বরুপ বেত্রাঘাত কিংবা একশ ঘা দোররা মারতেন ) । যুদ্ধাপরাধী “bustard গোলাম আজমের” জুতা মারার ছবি শেয়ার করার কারনে আমার সেইসব সন্মানিত বন্ধুরা যথেষ্ঠ পরিমান দুর্গন্ধযুক্ত Text পাঠিয়ে আমাকে ও আমার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করেছেন । বলা ভালো- তাদের মন্তব্যে আমার কিছুই যায় আসে না। এসব ব্যাপারে লজ্জাবোধ আমার বরাবরই কম । so welcome to everybody- যে যার ইচ্ছামতো আমাকে গালি দিতে পারেন । একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে
ইচ্ছা করছে- যুদ্ধাপরাধী এবং যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক, এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য কি ?

No comments:
Post a Comment