সন্তানের জন্য কলিজাটিও কেটে দিতে পারেন মা। এমন কথা খুব প্রচলিত। এবার সত্যিকার অর্থেই নিজের ফুটফুটে শিশুর জন্য খানিকটা কলিজা (যকৃৎ) কেটে দিলেন বৃটেনের এক মা। তাতেই বেঁচে গেছে এক বছরের শিশুটি।
ব্রিটিশ এই মায়ের নাম লরা রো, ২৫. শিশুটির নাম ক্যামেরন। অস্ত্রোপচার ছিলো খুবই কঠিন একটি কাজ। তবে তাও সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ব্রিটিশ চিকিৎসকরা।
লরা রো বললেন, আমার সৌভাগ্য যে আমি নিজের সন্তানটিকে বাঁচিয়ে তুলতে পেরেছি। খুব কম মা-ই পৃথিবীতে এমন ভাগ্য নিয়ে জন্মায়।
লাইভ ভিডিও সার্জারির মাধ্যমে লিডস এর সেন্ট জেমস হসপিটালের চিকিৎসকরা লরার যকৃতের এক-তৃতীয়াংশ কেটে আলাদা করে তা বসিয়ে দিয়েছেন শিশু ক্যামেরনের শরীরে।
সার্জারির পর মা-ছেলে দুজনই ভালো আছে। ১৫ দিনের মাথায় তারা দুজনই হাসপাতাল ছেড়ে বাড়িতে গেছে। সেখানে স্বাভাবিক জীবন যাপনও করছে মা-শিশু।
শিশুর শরীরের ভেতরে মায়ের যকৃৎ ধীরে ধীরে বড় হবে আর মায়ের যকৃৎটিও ধীরে ধীরে ফিরে পাবে তার পূর্ণাঙ্গ আকার, এমনটাই বক্তব্য চিকিৎসকদের।
সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ এই একজন মানুষ যুগ যুগ ধরে আমাদের শুধু দিয়েই যাচ্ছেন ! প্রতিদানে আমরা তাদের কি বা দিয়েছে...! যদি আপনার মনের ঘরে এতটুকও দাগ কেটে থাকে !
ব্রিটিশ এই মায়ের নাম লরা রো, ২৫. শিশুটির নাম ক্যামেরন। অস্ত্রোপচার ছিলো খুবই কঠিন একটি কাজ। তবে তাও সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ব্রিটিশ চিকিৎসকরা।
লরা রো বললেন, আমার সৌভাগ্য যে আমি নিজের সন্তানটিকে বাঁচিয়ে তুলতে পেরেছি। খুব কম মা-ই পৃথিবীতে এমন ভাগ্য নিয়ে জন্মায়।
লাইভ ভিডিও সার্জারির মাধ্যমে লিডস এর সেন্ট জেমস হসপিটালের চিকিৎসকরা লরার যকৃতের এক-তৃতীয়াংশ কেটে আলাদা করে তা বসিয়ে দিয়েছেন শিশু ক্যামেরনের শরীরে।
সার্জারির পর মা-ছেলে দুজনই ভালো আছে। ১৫ দিনের মাথায় তারা দুজনই হাসপাতাল ছেড়ে বাড়িতে গেছে। সেখানে স্বাভাবিক জীবন যাপনও করছে মা-শিশু।
শিশুর শরীরের ভেতরে মায়ের যকৃৎ ধীরে ধীরে বড় হবে আর মায়ের যকৃৎটিও ধীরে ধীরে ফিরে পাবে তার পূর্ণাঙ্গ আকার, এমনটাই বক্তব্য চিকিৎসকদের।
সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ এই একজন মানুষ যুগ যুগ ধরে আমাদের শুধু দিয়েই যাচ্ছেন ! প্রতিদানে আমরা তাদের কি বা দিয়েছে...! যদি আপনার মনের ঘরে এতটুকও দাগ কেটে থাকে !
No comments:
Post a Comment