ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বেরলুসকোনি এখনো তাঁর জমকালো পার্টিতে সঙ্গ দেওয়া নারীদের জন্য প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করেন। গতকাল শুক্রবার মিলানের একটি আদালতের শুনানির বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে এ কথা জানানো হয়।
যৌন কেলেঙ্কারি, অবৈধ সুবিধা গ্রহণ ও কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের মুখে ৭৬ বছর বয়সী বেরলুসকোনি গত বছর পদত্যাগে বাধ্য হন। তবে মধ্য-ডানপন্থী এই নেতা নির্বাচনে আর অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, মিলানের কাছে তাঁর বাড়িতে যে অুনষ্ঠান হয়, তা ছিল সাধারণ নৈশভোজ। সেখানে যৌনকর্মীরা ছিল না।
গতকাল আদালতে পাঁচজন নারী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যাঁরা বেরলুসকোনির সহযোগীদের বিরুদ্ধে তাঁর কাছে যৌনকর্মী সরবরাহ করার অভিযোগ করেছেন। তাঁদের সাক্ষ্য, তাঁরা এখনো এই মিডিয়া মুঘলের কাছ থেকে নিয়মিত আর্থিক উপহার পান।
বেরলুসকোনির তথাকথিত যৌন পার্টিগুলোতে হাজির হওয়া এলিসা টোটি আদালতে বলেন, ‘সিলভিও বেরলুসকোনি এখনো আমাকে মাসে আড়াই হাজার ইউরো করে দেন।’ তিনি জানান, বেরলুসকোনি তাঁকে একটি বাড়ি ও গাড়ি কেনার ব্যাপারে আর্থিক সহায়তা করেছেন। এমন আরেকজন আদালতে বলেছেন, তিনিও বেরলুসকোনির কাছ থেকে মাসে একই পরিমাণ অর্থ পান।
তবে গত এপ্রিলে সাংবাদিকদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেরলুসকোনি বলেছিলেন, বাজে প্রচারণার শিকার হয়ে ওইসব নারীদের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাঁরা অসম্মানিত হয়েছেন বলে তিনি এখনো মাসিক ভিত্তিতে তাঁদের কিছু আর্থিক সহায়তা দেন।
যৌন কেলেঙ্কারি, অবৈধ সুবিধা গ্রহণ ও কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের মুখে ৭৬ বছর বয়সী বেরলুসকোনি গত বছর পদত্যাগে বাধ্য হন। তবে মধ্য-ডানপন্থী এই নেতা নির্বাচনে আর অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, মিলানের কাছে তাঁর বাড়িতে যে অুনষ্ঠান হয়, তা ছিল সাধারণ নৈশভোজ। সেখানে যৌনকর্মীরা ছিল না।
গতকাল আদালতে পাঁচজন নারী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যাঁরা বেরলুসকোনির সহযোগীদের বিরুদ্ধে তাঁর কাছে যৌনকর্মী সরবরাহ করার অভিযোগ করেছেন। তাঁদের সাক্ষ্য, তাঁরা এখনো এই মিডিয়া মুঘলের কাছ থেকে নিয়মিত আর্থিক উপহার পান।
বেরলুসকোনির তথাকথিত যৌন পার্টিগুলোতে হাজির হওয়া এলিসা টোটি আদালতে বলেন, ‘সিলভিও বেরলুসকোনি এখনো আমাকে মাসে আড়াই হাজার ইউরো করে দেন।’ তিনি জানান, বেরলুসকোনি তাঁকে একটি বাড়ি ও গাড়ি কেনার ব্যাপারে আর্থিক সহায়তা করেছেন। এমন আরেকজন আদালতে বলেছেন, তিনিও বেরলুসকোনির কাছ থেকে মাসে একই পরিমাণ অর্থ পান।
তবে গত এপ্রিলে সাংবাদিকদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেরলুসকোনি বলেছিলেন, বাজে প্রচারণার শিকার হয়ে ওইসব নারীদের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাঁরা অসম্মানিত হয়েছেন বলে তিনি এখনো মাসিক ভিত্তিতে তাঁদের কিছু আর্থিক সহায়তা দেন।
No comments:
Post a Comment