রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬-এর ধারা ৩(৪)-এর ক্ষমতাবলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছেন।
এর আগে গতকাল সোমবার অর্থ কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে পদত্যাগের অভিপ্রায় গ্রহণ করি। উনি সাগ্রহে সম্মতি দিয়েছেন। তাই আমি সমস্ত ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
প্রবীণ এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘তদন্তের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করে আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসব।’ তাহলে কি আপনি রাজনীতি থেকেও সরে যাচ্ছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে যাত্রাবিরতি।’ এরপর আর কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়েই তিনি চলে যান।
সুরঞ্জিত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিত্বের শপথ নেন গত বছরের ২৮ নভেম্বর। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর রেল খাতে লোকসানের পেছনের কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এর আগে গত রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে গণভবনে ডেকে নেন। এর পর থেকেই তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি মন্ত্রী থেকেই লড়তে চেয়েছিলেন। সর্বশেষ, পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬-এর ধারা ৩(৪)-এর ক্ষমতাবলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছেন।
এর আগে গতকাল সোমবার অর্থ কেলেঙ্কারির সব দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে পদত্যাগের অভিপ্রায় গ্রহণ করি। উনি সাগ্রহে সম্মতি দিয়েছেন। তাই আমি সমস্ত ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
প্রবীণ এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘তদন্তের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করে আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসব।’ তাহলে কি আপনি রাজনীতি থেকেও সরে যাচ্ছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে যাত্রাবিরতি।’ এরপর আর কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়েই তিনি চলে যান।
সুরঞ্জিত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিত্বের শপথ নেন গত বছরের ২৮ নভেম্বর। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর রেল খাতে লোকসানের পেছনের কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এর আগে গত রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে গণভবনে ডেকে নেন। এর পর থেকেই তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে চাননি। তিনি মন্ত্রী থেকেই লড়তে চেয়েছিলেন। সর্বশেষ, পদত্যাগের পরও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে থাকা যায় কি না, তাঁর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment