অজস্র অভিমান,ক্ষোভ আর দুঃখ ভরা মন নিয়ে তোমার কাছে লিখতে বসেছি।আমি জানি তুমি এখন বিশ্ব শান্তিরখোঁজে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছ। পদ্মা সেতু,রামুর সহিংসতা কিংবা আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ভীড়ে আমার এ লেখা পড়ার সময় হয়তো তোমারহবেনা। কিংবা অজস্র দেয়ালের কঠিন বাঁধা পার হয়ে আমার এ লেখা হয়তো তোমার কাছে পৌঁছাবেওনা জানি। তবু বলি শোন,প্রিয়জন হারানোর কষ্টে বেদনার তপ্ত আগুনে জ্বলে পোড়া কত কষ্টের তুমিজানো। তুমি জানো গ্রেনেডের বিষ্ফোরিত শব্দ বৈজ্ঞানিক সূত্রমেনে কত ডেসিবল শব্দে বিস্ফোরিত হলে তোমার আত্মা কেঁপে ওঠে,কিংবাবেঁচে থাকার ইচ্ছে জাগে আরো কিছুক্ষন। তুমিই তো জানো ভাইয়ের রক্ত নবোঢ়া ভাবীর আঁচলে কতটুকু আল্পনা এঁকে দিলে এক একটি দীর্ঘশ্বাস ধানমন্ডি বত্রিশের বাড়ি থেকে উচ্চারিত হয়,একটি ইতিহাস গড়ে ওঠে শোকের ভয়াবহ বার্তা নিয়ে। প্রিয় নেত্রী এখন অজস্র ইতিহাসে ইতিহাসে আমাদের জীবন যেন একেকটি বিষাদ বেদনার মহাকাব্য। তুমিই তো বোঝ বন্দুকের গুলি কতটুকু মন্দন প্রাপ্ত হয়ে বেঁকে গেলে বুকের খুব কাছ থেকে চলে যায়,কিংবা হৃদপিন্ডের তিনটি প্রকোষ্ঠ
ভেদ করে প্রাণ পুড়ে অঙ্গার হয়। এখন আমাদের ক্যাম্পাস জুড়ে ভয়াবহ অস্থিরতা। তরুনীর চোখে আতঙ্ক,অসহায় যুবকের বুক শুন্য খাঁ খাঁ বিরান ভূমি। ভালোবাসার বিন্দুমাত্র চিহ্ন নেই যেখানে। এখন গোলাপ নয়,ওদের হাতে বন্দুক। মৃত্যুর উল্লাসে ওরা গুলি চালায় প্রিয় বন্ধুকে। এর ই নাম কি ছাত্র জীবন? যদি এই হয় তবে আমি ছাত্র জীবন রচনা শিখতে ভুল করেছি। ভুল জেনেছি একজন আদর্শ ছাত্রের গুনাবলী কি কি। কতটুকু বেপরোয়া হলে শিক্ষকের কলার চেপে ছাত্রত্বের প্রমান দেয়া যায়।
প্রিয় নেত্রী, আমাদের আরো কয়েকটাবছর বাঁচার প্রবল ইচ্ছা। একুশেই যদি থেমে যাই তবে প্রিয়তমাকে গোলাপ দেবে কে বল? কে মধ্য শ্রাবণের উদাস দুপুরে বৃষ্টি ভেজা কদম দিয়ে প্রিয়তমাকে ভালোবাসার গল্প শোনাবে। অজস্র ভালোবাসায় সিক্ত হবে আমাদের মহাবিদ্যালয়। কিংবা ধর যে মা পথ চেয়ে আছে একটি চাকুরী জীবী ছেলের,আটপৌরে জীবন ফেলে ছেঁড়া শাড়ী বদলে যে পড়তে চায় সম্পূর্ন নতুন একটি সূতী শাড়ি,কে কিনে দেবে তাকে পরম মমতায়? যে বাবার চোখে একটি স্বপ্ন জেগে ওঠে প্রতিটি প্রভাতে সেই স্বপ্নটাও কি ভেঙে যাবে? ছোট বোনের বিয়ে হবেনা ভালো কোন ঘরে। প্রিয় নেত্রী উত্তর দিও।
নিরাপত্তা চাইছিনা আমি,উত্তর চাই।
প্রিয় নেত্রী, আমাদের আরো কয়েকটাবছর বাঁচার প্রবল ইচ্ছা। একুশেই যদি থেমে যাই তবে প্রিয়তমাকে গোলাপ দেবে কে বল? কে মধ্য শ্রাবণের উদাস দুপুরে বৃষ্টি ভেজা কদম দিয়ে প্রিয়তমাকে ভালোবাসার গল্প শোনাবে। অজস্র ভালোবাসায় সিক্ত হবে আমাদের মহাবিদ্যালয়। কিংবা ধর যে মা পথ চেয়ে আছে একটি চাকুরী জীবী ছেলের,আটপৌরে জীবন ফেলে ছেঁড়া শাড়ী বদলে যে পড়তে চায় সম্পূর্ন নতুন একটি সূতী শাড়ি,কে কিনে দেবে তাকে পরম মমতায়? যে বাবার চোখে একটি স্বপ্ন জেগে ওঠে প্রতিটি প্রভাতে সেই স্বপ্নটাও কি ভেঙে যাবে? ছোট বোনের বিয়ে হবেনা ভালো কোন ঘরে। প্রিয় নেত্রী উত্তর দিও।
নিরাপত্তা চাইছিনা আমি,উত্তর চাই।
No comments:
Post a Comment