এবার চুমু নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। একটি নাচের প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে এক যুবক প্রতিযোগীকে পূর্ণিমা চুমু দিলে এ বিতর্কের শুরু হয়। মুলত ‘চুম্বন’ বাংলাদেশি সংস্কৃতিতে এখনো অপ্রকাশ্য। তবে তা কতদিন চেপে থাকবে, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার একটি স্যাটালাইট টিভি চ্যানেলে ‘সেরা নাচিয়ে’ অনুষ্ঠানের প্রতিযোগী যুবক রাসেলের নাচ দেখে বিচারক পূর্ণিমা অসংখ্য প্রশংসা বাক্যের সাথে র
াসেলকে অনেকগুলো উড়ন্ত ‘চুমু’ উপহার দেন। এরপর নিজের জন্য দর্শকদের ভোট চাওয়ার সময় আদো আদো কথোপকথনের এক পর্যায়ে রাসেল নিজের আকাঙ্ক্ষা আর চেপে রাখতে পারেননি। উড়ন্ত চুমুকে ইঙ্গিত করে বলে বসেন, ‘আমি আপনার (পূর্ণিমা) ‘ওই… ওইগুলো’ খুব, খুব মিস করব।’ তখন বিচারকের আসনে থাকা বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ সমস্বরে বলে বসেন- ‘তুমি চাইলে পূর্ণিমা তোমাকে বাস্তবে ‘ওইগুলো’ দিবে।
এরপরই ঘটে অঘটন। রাসেল আর সে সুযোগ মিস করেননি। পূর্ণিমার কাছে চেয়ে বসেন- একগুচ্ছ চুমু। সাথে সাথে সে পূর্ণিমার দিকে এগিয়েও যান। রাসেলের এগিয়ে যাওয়া দেখে পূর্ণিমা নিজেও হতচকিয়ে যান। পাশের সিটে থাকা আরেক বিচারক নায়ক ফেরদৌস যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তবে এ সময় মুনমুন নিজ মুখে আঙুল দিয়ে শিশ বাজিয়ে রাসেলকে উৎসাহ জোগান। রাসেল এগিয়ে গেলে পূর্ণিমা তাকে আলিঙ্গণে নিয়ে গালে কোমল ঠোঁটের চুম্বন এঁকে দেন। অবশ্য আলিঙ্গণের এ পর্যায়ে দুজনের মাঝে বিচারকের টেবিল ‘ব্যবধান’ তৈরি করে রাখে। তারপরও পূর্ণিমাকে ইতস্তত মনে হচ্ছিল। ফেরদৌস কোনো কথা না বলে শুধু চেয়ে দেখেন।
আর এই দৃশ্যটি নিয়েই বিতর্ক উঠেছে। আপনজনদের মধ্যে প্রীতি চুম্বন কিংবা দাম্পত্য জীবনে মধুর চুমু অনৈতিক কিছু না হলেও অন্যকে চুমু খাওয়া আমাদের সমাজে এখনো সেভাবে যায় না। তাই এই বিতর্ক। রিয়েলিটি শোর নামে সেলিব্রেটি দিয়ে এটা কি প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে- এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
এরপরই ঘটে অঘটন। রাসেল আর সে সুযোগ মিস করেননি। পূর্ণিমার কাছে চেয়ে বসেন- একগুচ্ছ চুমু। সাথে সাথে সে পূর্ণিমার দিকে এগিয়েও যান। রাসেলের এগিয়ে যাওয়া দেখে পূর্ণিমা নিজেও হতচকিয়ে যান। পাশের সিটে থাকা আরেক বিচারক নায়ক ফেরদৌস যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তবে এ সময় মুনমুন নিজ মুখে আঙুল দিয়ে শিশ বাজিয়ে রাসেলকে উৎসাহ জোগান। রাসেল এগিয়ে গেলে পূর্ণিমা তাকে আলিঙ্গণে নিয়ে গালে কোমল ঠোঁটের চুম্বন এঁকে দেন। অবশ্য আলিঙ্গণের এ পর্যায়ে দুজনের মাঝে বিচারকের টেবিল ‘ব্যবধান’ তৈরি করে রাখে। তারপরও পূর্ণিমাকে ইতস্তত মনে হচ্ছিল। ফেরদৌস কোনো কথা না বলে শুধু চেয়ে দেখেন।
আর এই দৃশ্যটি নিয়েই বিতর্ক উঠেছে। আপনজনদের মধ্যে প্রীতি চুম্বন কিংবা দাম্পত্য জীবনে মধুর চুমু অনৈতিক কিছু না হলেও অন্যকে চুমু খাওয়া আমাদের সমাজে এখনো সেভাবে যায় না। তাই এই বিতর্ক। রিয়েলিটি শোর নামে সেলিব্রেটি দিয়ে এটা কি প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে- এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
No comments:
Post a Comment